RAW সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন

ভারতবর্ষের প্রথম গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো প্রতিষ্ঠিত করার পরবর্তী সময়ে সন্দ্বীপ পিল্লাই আইনজীবীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিভিন্ন যুদ্ধের ব্যর্থতার কারণে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং প্রতিষ্ঠিত করা হয় । এই রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং সংক্ষেপে বলা হয় RAW।

RAW সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য়:

সাধারণত দেখে থাকি যে পুলিশ অপরাধীদের খুঁজে বের করে তাদের আটক করে। RAW এমন কোন সংস্থা না। RAW কোন পুলিশই ক্ষমতা নেই । এজেন্ট যারা অপরাধীদের আটক করবে। প্রশ্নটা হলো RAW আসলে কি? কি করে? কিভাবে গঠিত হয়?RAWএর ক্ষমতা  কতটা ?

RAW এর সম্পূর্ণ নাম :

  • RAWএর সম্পূর্ণ নাম বলতে পারি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং  ( Reacherch and analysis wing)।
  • এটি একটি গুপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা ।

RAW গঠন (Join) :

  • রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং এজেন্ট হয়ে দেশের সুরক্ষা করা একটি বড়ই মহত্ত্বপূর্ণ দায়িত্বের কাজ, এইজন্য রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং এজেন্ট হওয়া একটা খুবই কঠিন কাজ।
  • শুরুতে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং ট্রেন ইনটেলিজেন্ট অফিসারদের নিযুক্ত করা হতো। এই অফিসাররা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর এক্সটার্নাল উইংসের অন্তর্গত।
  • এরপর পুলিশ এবং ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিস থেকেও নিযুক্ত করা হতে শুরু হয়।
  • মিলিটারি থেকেও  ক্যান্ডিডেট নেওয়া হত।
  • ১৯৮৩ সালের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং নিজের একটি সার্ভিস ক্যাডার বানিয়েছিল যার নামে অ্যানালাইসিস সার্ভিস। যেখানে ইন্টেলিজেন্স হওয়ার জন্য লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ অতিক্রম করতে হয়। এর জন্য সেন্ট্রালের গ্রুপ এ সিভিল সার্ভিস এক্সাম পরীক্ষা দিতে হয়
  • ভারতবর্ষের বহিক গোয়েন্দা সংস্থা হাজার 1968 সালের সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে এই সংস্থার পরিচালক ছিলেন রামেশ্বর নাথ কাও ।

RAW এজেন্ট হতে যোগ্যতা  :

  • রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং এজেন্ট হতে গেলে ক্যান্ডিডেট কে ভারতীয় নাগরিক হওয়া জরুরী।
  • ক্যান্ডিডেটের কোন ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকবে না।
  • ক্যান্ডিডেট যেন ড্রাগ এডিট না হয়।
  • ক্যান্ডিডেটএর  শিক্ষাগত যোগ্যতা খুবই ভালো হবে এবং সে নামকরা ইউনিভার্সিটি থেকে তার শিক্ষা সম্পূর্ণ করেছে।
  • ক্যান্ডিডেটকে  কমপক্ষে একটি বিদেশী ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে।
  • ফ্রেন্ডের কাছে ২০ বছরের সার্ভিস দক্ষতা থাকতে হবে।

RAW এর কাজ :

  • RAW কাজ হল  তথ্য সংগ্রহ করা।
  • সন্ত্রাস দমন করা।
  • গুপ্ত ক্রিয়া-কলাপ দমন করা ।যেমন -অপারেশন মেঘদুত,
    অপারেশন ক্যাকটাস ,অপারেশন চারুক এইরকম কাজ গুলি সম্পূর্ণ করে। RAW সম্পর্কে বিস্তারিত

RAW এজেন্টদের ট্রেনিং :

  • দেশকে  অন্তর্বর্তী  এবং বাইরের বিভিন্ন বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য এজেন্টদের সেই রকম ভাবে তৈরি হতে হয়।  তার জন্য এই সুপার হিরোদের ট্রেনিং খুবই কঠিন হয় ।
  • তাদের খুবই উচ্চ রিস্কে কাজ করতে হয় এবং তাদের পরিচয়ও গুপ্ত রেখে মিশনকে সফল করতে হয়।
  • এজেন্ট এর বেছে সাধারণ এবং এডভান্স ট্রেনিং দেওয়া হয় ।
  • বেসিক ট্রেনিং দশ দিনের হয়ে থাকে।
  • যেখানে রয়ে এজেন্টের এই দশ দিনে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং অর্থ কি সেটা বোঝানো এবং তাদের কাজ কি সেটা বোঝানোর সঠিকভাবে দেখানো হয়।
  • ট্রেনিংয়ে তাদের স্পেস টেকনোলজি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করানো হয় ,ইনফরমেশন সিকিউরিটি সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
  • এনার্জি সিকিউরিটি এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান , ট্রাটেজিক এনালাইসিস শেখানো হয়।
  • অন্যান্য দেশের গুপ্ত এজেন্টদেরও সম্বন্ধে অবগত করা হয়।
  • সাধারণ ট্রেনিং এর পর তাদের এডভান্স ট্রেনিং করানো হয়। এডভান্স ট্রেনিং এক থেকে দুই বছরের হয়ে থাকে।সেখানে সেখানে কিভাবে জঙ্গলে এবং ভয়ানক জায়গাতেও তাদের সক্রিয়ভাবে থাকতে হয় গুপ্ত মিশন কিভাবে তাদের সফল করতে হয় আবার যদি সেই ইনভেস্টিগেশন এর মধ্যে ধরা পড়ে তাহলে কিভাবে সেটা সম্মুখীন হতে  হয়। প্ল্যান করা এবং সেগুলোকে পরিচালনা করা ও  যোগাযোগ রক্ষা।
  • রয়েল এজেন্দের সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয় তাদের এডমিশন থেকে আরেক মিশনে যেতে একটা ছোট নোটিশের মাধ্যমেই।  তাদের পরিচয় নিজের ফ্যামিলি এবং আত্মীয়-স্বজনদের থেকেও গুপ্ত রাখতে হয়।

RAW এর হেড কোয়ার্টার ও সাধারণ সম্পাদক :

  •  এর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর নতুন দিল্লিতে অবস্থিত।